পৃথিবীর প্রায় সব ভাষায় স্বর-সংক্রান্ত ভাষা।
স্বর-সংক্রান্ত ভাষা দিয়ে স্বরের মাত্রা ঠিক রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
শব্দ ও শব্দাংশের অর্থ প্রকাশ হয় স্বর দ্বারা।
এজন্য স্বর দৃঢ়ভাবে শব্দে বিরাজ করে।
এশিয়ার অধিকাংশ ভাষায় স্বর-সংক্রান্ত ভাষা।
যেমন, চীনা, থাই ও ভিয়েতনামী ভাষা।
অনেক স্বর-সংক্রান্ত ভাষা আফ্রিকাতেও বিদ্যমান।
আমেরিকার অনেক স্থানীয় ভাষাও স্বর-সংক্রান্ত।
শুধুমাত্র ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাসমূহে বেশী পরিমানে স্বরের উপস্থিতি পাওয়া যায়।
সুইডিশ ও সার্বিয়ান ভাষা, উদহারণস্বরূপ।
স্বরের মাত্রার সংখ্যা বিভিন্ন ভাষায় বিভিন্ন রকম হয়।
চারটি ভিন্ন ভিন্ন স্বর রয়েছে চীনা ভাষায়।
মা শব্দের চারটি অর্থ রয়েছে।
মা, শণ, ঘোড়া ও বড়াই করা।
মজার বিষয় হল স্বর-সংক্রান্ত ভাষা আমাদের শোনার উপর প্রভাব ফেলে।
নিখাদ শ্রবণের উপর গবেষণা করে এটা জানা গেছে।
শোনা স্বর শনাক্তকরণই হল নিখাদ শ্রবণ।
নিখাদ শ্রবণ ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকায় খুব একটা শোনা যায় না।
প্রায় ১০,০০০ জনের মধ্যে ১ জন এরকম স্বরভাষী পাওয়া যায়।
চীনাদের নিজস্ব ভাষা থেকে এটা ভিন্ন।
চীনে প্রায় ৯ গুন বেশী লোকের এই ক্ষমতা রয়েছে।
যখন আমরা শিশু ছিলাম তখন আমাদের এই নিখাদ শ্রবণশক্তি ছিল।
শুনে শুনে আমরা নির্ভূলভাবে বলতাম।
দূর্ভাগ্যবশত, বেশীর ভাগ লোক পরে এই ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে।
সঙ্গীতেও স্বরের মাত্রা খুব গুরুত্বপূর্ণ।
এটা স্বর-সংক্রান্ত ভাষাভাষীদের জন্য বিশেষভাবে প্রযোজ্য।
তাদেরকে সুরের বিষয়টি সঠিকভাবে মেনে চলতে হয়।
নাহলে একটি মনোরম প্রেমের গান হাস্যকর গানে পরিণত হয়।