যখন শিশুরা কথা বলা শিখে, তারা তাদের বাবা-মা’র মুখের দিকে খেয়াল করে।
উন্নয়নমূলক মনোবিজ্ঞানীরা এটা আবিষ্কার করেছেন।
ছয় বছর বয়সের বাচ্চারা ঠোঁটের ভাষা পড়তে শুরু করে।
এভাবেই তারা শিখে শব্দ তৈরী করতে গেলে তাদের মুখ ব্যবহার করতে হবে।
এক বছর বয়সেই তারা কিছু শব্দ বুঝতে পারে।
এই বয়সেই তারা আশেপাশের মানুষ চেনা শুরু করে।
এটা করত গিয়ে তারা অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানে।
বাবা-মা’র দিকে তাকিয়ে একটি শিশু বুঝতে পারে তারা খুশি না অখুশী।
এভাবেই শিশুরা অনুভূতির জগতে প্রবেশ করে।
যদি কেউ তাদের সামনে বিদেশী ভাষায় কথা বলে তাহলে তাদের কাছে তা আকর্ষণীয় লাগে।
তারা অবারও ঠোঁটের ভাষা পড়া শুরু করে।
এভাবে তারা শিখে কিভাবে বিদেশী শব্দ তৈরী করতে হয়।
তাই যখনই আপনি বাচ্চাদের সাথে কথা বলবেন তখনই এই ব্যাপারটি খেয়াল করবেন।
এছাড়াও ভাষার উন্নয়নের জন্য তাদের দরকার সংলাপ ।
বিশেষ করে বাবা-মা’রা বাচ্চাদের কথা পুনরাবৃত্তি করেন।
এভাবেই বাচ্চারা পুনর্নিবেশ পায়।
শিশুদের জন্য এটা খুবই দরকারী।
এভাবে তারা জানতে পারে যে বিষয়টি তারা বুঝেছে।
এই সমর্থন শিশুদের প্রেরণা দেয়।
তারা শিখে মজা পেতে শুরু করে।
তাই শুধু বাচ্চাদের রেকর্ড করা কথা শোনালে হবে না।
গবেষণা প্রমাণ করে যে, শিশুরা ঠোঁটের ভাষা পড়তে পারে।
গবেষণার জন্য, বাচ্চাদের শব্দহীন ভিডিও দেখানো হয়েছিল।
ভিডিওগুলি স্থানীয় ও বিদেশী ভাষায় ছিল।
নিজস্ব ভঙ্গিতে শিশুরা ভিডিওগুলো অনেকক্ষণ ধরে দেখলো।
দেখার ব্যাপারে তারা খুবই মনোযোগী ছিল।
সারা পৃথিবীতে বাচ্চাদের প্রথম শব্দগুলো প্রায় একই রকম।
”মা” এবং ”বাবা”- সব ভাষায় বলা সহজ শব্দদ্বয়।